২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে সিটি বাসে প্রতি কিমি ৳২.৭০ (সর্বনিম্ন ৳১০), সিটি মিনিবাসে ৳২.৬০ (সর্বনিম্ন ৳৮), আন্তঃজেলা বাসে ৳২.৪০। দূরত্ব দিন — টোলসহ একজনের ভাড়া আর সিএনজি মিটার ভাড়া দেখুন।
কী হিসাব করবেন
গাড়ির ধরন
সিট (আন্তঃজেলা)
কিমি
৳
আন্তঃজেলা বাসে টোল সিটপ্রতি ভাগ হয়ে ভাড়ায় যোগ হয়
মিনিট
একজনের বাস ভাড়া
৳২৭
প্রতি কিমি হার
৳২.৭
মূল ভাড়া (৳২.৭ × ১০)
৳২৭
সিটি বাস ১০ কিমি গেলে ভাড়া ৳২৭।
যাচাই চলছে: মিটারে প্রতি কিমি ১২ ধরা হয়েছে, তবে আরেকটি সূত্রে ১৪ লেখা আছে — বিআরটিএ গেজেট মিলিয়ে নিন।
বাস্তবে বেশিরভাগ সিএনজি মিটারে চলে না — ওঠার আগে ভাড়া ঠিক করে নিন।
বাস না সিএনজি, বাছুন। বাস হলে গাড়ির ধরন দিন — সিটি বাস, সিটি মিনিবাস, না আন্তঃজেলা।
দূরত্ব কিমিতে লিখুন। আন্তঃজেলা বাসে টোল দিয়ে থাকলে টোলের টাকা আর সিট সংখ্যা (৫১ সাধারণ / ৪০ বিলাসবহুল) দিন।
সিএনজি হলে দূরত্বের সঙ্গে অপেক্ষার মিনিট যোগ করুন — প্রথম ২ কিমি ৳৪০, পরে প্রতি কিমি ৳১২, অপেক্ষায় প্রতি মিনিট ৳২।
ভাড়া কীভাবে ঠিক হয়
বাস ভাড়া = দূরত্ব × প্রতি কিমি হার (+ আন্তঃজেলায় টোল ÷ সিট); হিসাব সর্বনিম্ন ভাড়ার কম হলে সর্বনিম্ন ভাড়া
সিএনজি ভাড়া = প্রথম ২ কিমি ৳৪০ + বাড়তি প্রতি কিমি ৳১২ + অপেক্ষায় প্রতি মিনিট ৳২
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর গেজেটে (ওই দিনই কার্যকর) প্রতি-কিমি হার বাড়ায় — সিটি বাস ২.৫৩ থেকে ৳২.৭০, সিটি মিনিবাস ২.৪৩ থেকে ৳২.৬০, আন্তঃজেলা ২.২৩ থেকে ৳২.৪০। ২.৫৩/২.২৩ লেখা পুরনো তালিকা আর ধরবেন না।
সর্বনিম্ন ভাড়া: সিটি বাসে ৳১০, সিটি মিনিবাসে ৳৮। ২ কিমি গেলেও সিটি বাসে (২ × ২.৭০ = ৫.৪) দিতে হবে ৳১০।
টোল ভাগ: আন্তঃজেলা পথে দেওয়া টোল মোট সিট দিয়ে ভাগ হয়ে জনপ্রতি ভাড়ায় যোগ হয়।
১০০ কিমি আন্তঃজেলা পথে, ৳৭৫০ টোলসহ একজনের ভাড়া?
মূল ভাড়া ১০০ × ২.৪০ = ২৪০; টোল ভাগ ৭৫০ ÷ ৫১ ≈ ১৪.৭; মোট ≈৳২৫৫।
৫ কিমি সিএনজিতে, অপেক্ষা ছাড়া ভাড়া?
প্রথম ২ কিমি ৪০ + বাড়তি ৩ কিমি × ১২ = ৳৭৬।
বিআরটিএ ভাড়ার তালিকা (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে)
গাড়ি
প্রতি কিমি
সর্বনিম্ন ভাড়া
সিটি বাস
৳২.৭০
৳১০
সিটি মিনিবাস
৳২.৬০
৳৮
আন্তঃজেলা বাস (৫১ সিট)
৳২.৪০ + টোল ÷ ৫১
—
আন্তঃজেলা বিলাসবহুল (৪০ সিট)
৳২.৪০ × ৫১/৪০ + টোল ÷ ৪০
—
সিএনজি (মিটার)
প্রথম ২ কিমি ৳৪০, পরে ৳১২/কিমি, অপেক্ষা ৳২/মিনিট
—
বিস্তারিত: সর্বনিম্ন ভাড়া, টোল ভাগ, সিট ও সিএনজি বাস্তবতা
সর্বনিম্ন ভাড়া কখন ধরে: দূরত্ব × হার সর্বনিম্ন অঙ্কের কম হলেই ন্যূনতম ভাড়া বসে। সিটি বাসে ৩.৭ কিমির কম পথে সবসময় ৳১০; মিনিবাসে ৩.১ কিমির কম পথে ৳৮।
টোল ভাগের যুক্তি: সেতু বা এক্সপ্রেসওয়ের টোল বাস মালিক একবার দেন, কিন্তু খরচটা সব যাত্রীর মধ্যে ভাগ হয় — তাই ৫১ সিটের বাসে ৳৭৫০ টোল মানে জনপ্রতি প্রায় ৳১৪.৭। ৪০ সিটের বাসে একই টোল মানে জনপ্রতি ৳১৮.৮।
সিএনজি নিয়ে সতর্কতা: মিটার হার ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে চালু, আর প্রতি কিমি ১২ না ১৪ — এ নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে অমিল আছে, তাই ক্যালকুলেটরে “যাচাই চলছে” চিহ্ন দেওয়া আছে। তার চেয়েও বড় কথা, মিটার থাকলেও বেশিরভাগ চালক মিটারে যান না। রাতে, বৃষ্টিতে বা জরুরি সময়ে দরদাম আরও চড়ে — ওঠার আগে গন্তব্য ও ভাড়া পাকা করে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
মিটারে সিএনজি চলে না কেন?
মিটার হার (প্রথম ২ কিমি ৳৪০, পরে প্রতি কিমি ৳১২) কাগজে থাকলেও বাস্তবে বেশিরভাগ চালক মিটারে যান না — এ নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভের খবর ২০২৫ সালেও এসেছে। তাই ওঠার আগেই ভাড়া ঠিক করে নিন।
সর্বনিম্ন ভাড়ায় কতদূর যাওয়া যায়?
সিটি বাসে ৳১০ দিয়ে প্রায় ৩.৭ কিমি (১০ ÷ ২.৭০), সিটি মিনিবাসে ৳৮ দিয়ে প্রায় ৩.১ কিমি (৮ ÷ ২.৬০) পর্যন্ত সর্বনিম্ন ভাড়াই দিতে হয়।
৫১ বনাম ৪০ সিটে ভাড়া আলাদা কেন?
আন্তঃজেলা ভাড়া ৫১ সিটের ভিত্তিতে ধরা হয়; ৪০ সিটের বিলাসবহুল বাসে একই পথের ভাড়া ৫১/৪০ গুণ হয় — যেমন ১০০ কিমিতে ২৪০-এর বদলে ৳৩০৬।
টোল কি ভাড়ার ভেতরে?
আন্তঃজেলা বাসে টোল সিটপ্রতি ভাগ হয়ে ভাড়ায় যোগ হয়। যেমন ১০০ কিমি পথে ৳৭৫০ টোল হলে ৫১ সিটে জনপ্রতি প্রায় ৳১৪.৭ যোগ হয়।
তেলের দাম বাড়লে ভাড়া কীভাবে বাড়ে?
ডিজেলের দাম বাড়লে বিআরটিএ গেজেট দিয়ে প্রতি-কিমি হার বাড়ায় — ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর গেজেটেই কিমিপ্রতি ১৭ পয়সা বেড়েছে। এই পাতার হার সেই গেজেটের।
অতিরিক্ত ভাড়া নিলে অভিযোগ কোথায় করব?
গাড়ির নম্বর, তারিখ ও পথ লিখে বিআরটিএর অভিযোগ কেন্দ্রে (ওয়েবসাইট বা হটলাইনে) জানান।
এই নামেও খোঁজেন
বাস ভাড়া তালিকা · বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটার · ঢাকা সিটি বাস ভাড়া · সর্বনিম্ন বাস ভাড়া · বিআরটিএ বাস ভাড়া চার্ট · সিএনজি ভাড়া · সিএনজি মিটার ভাড়া · bus vara · BRTA bus fare per km · CNG meter rate