শুল্কের সূত্র (যে ক্রমে বসে)
১. সিডি = অ্যাসেসেবল মূল্য × সিডি হার ২. এসডি = (অ্যাসেসেবল মূল্য + সিডি) × এসডি হার ৩. ভ্যাট = (অ্যাসেসেবল মূল্য + সিডি + এসডি) × ১৫% ৪. এআইটি = অ্যাসেসেবল মূল্য × ৫% ৫. এটি = (অ্যাসেসেবল মূল্য + সিডি + এসডি + ভ্যাট) × ৫%
মোট শুল্ক = পাঁচটির যোগফল; ল্যান্ডেড খরচ = অ্যাসেসেবল মূল্য + মোট শুল্ক।
উদাহরণ
২০,০০,০০০ টাকা, ১০০১–১৫০০ সিসি (সিডি ২৫%, এসডি ৪৫%): সিডি ৫,০০,০০০ + এসডি ১১,২৫,০০০ + ভ্যাট ৫,৪৩,৭৫০ + এআইটি ১,০০,০০০ + এটি ২,০৮,৪৩৭.৫ = মোট ২৪,৭৭,১৮৭.৫ টাকা; ল্যান্ডেড ৪৪,৭৭,১৮৭.৫ টাকা (কার্যকর হার ১২৩.৮৬%)।
১০,০০,০০০ টাকা, ১০০০ সিসি পর্যন্ত (সিডি ২৫%, এসডি ২০%): সিডি ২,৫০,০০০ + এসডি ২,৫০,০০০ + ভ্যাট ২,২৫,০০০ + এআইটি ৫০,০০০ + এটি ৮৬,২৫০ = মোট ৮,৬১,২৫০ টাকা; ল্যান্ডেড ১৮,৬১,২৫০ টাকা।
সিসি স্ল্যাব (আনুমানিক)
| ইঞ্জিন | সিডি (আনুমানিক) | এসডি (আনুমানিক) |
|---|---|---|
| ১০০০ সিসি পর্যন্ত | ২৫% | ২০% |
| ১০০১–১৫০০ সিসি | ২৫% | ৪৫% |
| ১৫০১–২০০০ সিসি | ২৫% | ৬০% |
| ২০০১–২৭৫০ সিসি | ২৫% | ১০০% |
| ২৭৫১–৪০০০ সিসি | ২৫% | ১৫০% |
| ৪০০০ সিসির বেশি | ২৫% | ৩৫০% |
ভ্যাট ১৫%, এআইটি ৫%, এটি ৫% (সবই আনুমানিক)।
সতর্কতা: এই হারগুলো এখনো যাচাই চলছে — এটা পরিকল্পনার আনুমানিক হিসাব, চূড়ান্ত বিল নয়। গাড়ি কেনা বা এলসি খোলার আগে অভিজ্ঞ ক্লিয়ারিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টের সঙ্গে এবং এনবিআরের হালনাগাদ শুল্ক-হার (ট্যারিফ) মিলিয়ে নিন। কাস্টমসের মূল্যায়ন, মডেল-বছর ও গাড়ির অবস্থাভেদে আসল খরচ বদলাতে পারে।
বিস্তারিত: কেনার আগে যা যাচাই করবেন
মডেল-বছর ও অবচয়। রিকন্ডিশন্ড গাড়িতে বয়স অনুযায়ী মূল্যায়নে ছাড় মেলে, তবে কত বছরের পুরোনো গাড়ি আনা যাবে তার সীমা বদলায় — এজেন্টের কাছে হালনাগাদ নিয়ম জেনে নিন।
কাগজপত্র। ইনভয়েস, বিল অব লেডিং, বিল অব এন্ট্রি, এলসি ও চালানের কপি রাখুন; এআইটি সমন্বয়ের সময় এগুলো লাগে।
বাড়তি খরচ। বন্দর চার্জ, ইয়ার্ড/ডেমারেজ, এজেন্ট ফি, বিআরটিএ নিবন্ধন, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস — শুল্কের বাইরে এগুলোর বাজেট আলাদা রাখুন। ট্যাক্স টোকেনের হিসাবের জন্য ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস ফি ক্যালকুলেটর দেখুন।
হাইব্রিড/ইভি। এগুলোর এসডি-কাঠামো আলাদা, তাই ওপরের স্ল্যাব এগুলোতে প্রযোজ্য নয়।