ইতিমধ্যে জমানো থাকলে সেটা লিখুন, না থাকলে ০ রাখুন।
সঞ্চয়ের সূত্র
জানতে চান
সূত্র
উদাহরণ
বাকি
লক্ষ্য − জমানো
৫০,০০০ − ৫,০০০ = ৪৫,০০০
মাসে জমা
বাকি ÷ মাস
৪৫,০০০ ÷ ১০ = ৪,৫০০ টাকা
উদাহরণ
ল্যাপটপ: দাম ৬০,০০০, জমা ১০,০০০, সময় ১২ মাস — মাসে ৪,১৬৬.৬৭ টাকা।
ভ্রমণ: খরচ ৩০,০০০, জমা ০, সময় ৬ মাস — মাসে ৫,০০০ টাকা।
বিস্তারিত: লক্ষ্যে পৌঁছানোর কৌশল
বেতন পেয়েই প্রথমে সঞ্চয়ের টাকা আলাদা করুন — খরচের পর যা বাঁচে তা জমানো কঠিন। মাসের কিস্তি বেশি মনে হলে সময় বাড়ান বা লক্ষ্য ছোট করুন। ব্যাংক হিসাবে রাখলে সুদ যোগ হবে, তখন এই হিসাবের চেয়ে কিছু কম জমালেও চলবে।
সাধারণ প্রশ্ন
সঞ্চয় লক্ষ্যের সূত্র কী?
মাসে জমা = (লক্ষ্য − জমানো) ÷ মাস। যেমন (৫০,০০০ − ৫,০০০) ÷ ১০ = ৪,৫০০ টাকা।
সুদ বা মুনাফা ধরা হয়?
না, এটি সরল হিসাব। ব্যাংকে রাখলে সুদে কিছু বেশি হবে — নিরাপদ অনুমান হিসেবে সুদ ছাড়াই ধরুন। মুনাফাসহ হিসাবের জন্য ডিপিএস ক্যালকুলেটর দেখুন।
জমানো টাকা লক্ষ্যের বেশি হলে?
“লক্ষ্য পূরণ” দেখাবে — আর জমানোর দরকার নেই।
মাসের মাঝামাঝি শুরু করলে?
পূর্ণ মাস ধরুন। ১০.৫ মাসের মতো ভগ্নাংশ চলবে না — ১০ বা ১১ লিখুন।
ডিপিএস আর এই হিসাবের পার্থক্য কী?
ডিপিএসে ব্যাংক সুদ দেয়, তাই একই লক্ষ্যে মাসে কিছু কম জমালেও হয়। এই হিসাব সুদ ছাড়া, অর্থাৎ নিরাপদ অনুমান।
এই নামেও খোঁজেন
মাসে কত জমাব · টাকা জমানোর হিসাব · savings goal calculator bd · taka jomanor hisab