আজকের দাম লিখুন — বাজারের কোনো জিনিসের দাম বা হাতে থাকা টাকার অঙ্ক।
বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার দিন। নিজের ধারণা মতো হার বসান।
কত বছর পরের হিসাব চান লিখুন। ফলাফলে ভবিষ্যৎ দাম, ক্রয়ক্ষমতা ও ক্ষয়ের হার দেখুন।
সূত্র
কী জানতে চান
সূত্র
উদাহরণ
ভবিষ্যৎ দাম
আজকের দাম × (১ + হার)^বছর
১,০০,০০০, ৯.৫%, ৫ বছর ≈ ১,৫৭,৪২৪
ক্রয়ক্ষমতা
আজকের দাম ÷ (১ + হার)^বছর
১,০০,০০০ ÷ (১.০৯৫)^৫ ≈ ৬৩,৫২৩
মূল্য ক্ষয়
১ − ক্রয়ক্ষমতা ÷ আজকের দাম
৫ বছরে ≈ ৩৬.৫%
উদাহরণ — ডিফল্ট হিসাব
১,০০,০০০ টাকা, ৯.৫% হারে ৫ বছর: ভবিষ্যৎ দাম = ১,০০,০০০ × (১.০৯৫)^৫ = ≈ ১,৫৭,৪২৪ টাকা। অর্থাৎ আজ ১,০০,০০০ টাকার বাজার ৫ বছর পর করতে লাগবে ১,৫৭,৪২৪ টাকা। আজকের ১,০০,০০০ টাকার ক্রয়ক্ষমতা নেমে হবে ≈ ৬৩,৫২৩ টাকা — মূল্য ক্ষয় ≈ ৩৬.৫%।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক মুদ্রাস্ফীতি (উদাহরণ মাত্র)
বিবিএসের হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দিকে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯–১০%-এর ঘরে ছিল — এই সংখ্যা শুধু উদাহরণ হিসেবে দেওয়া। ক্যালকুলেটরে আপনার নিজের হার বসান: চাল-ডাল-ভাড়াসহ আপনার খরচের ঝুড়ি অনুযায়ী হার ৭% বা ১২%-ও হতে পারে।
যা খেয়াল রাখবেন
হার স্থির থাকে না: ৫–২০ বছরের হিসাবে একটাই হার ধরা অনুমান মাত্র। কম-বেশি দুই হারে হিসাব করে সীমা দেখে নিন।
আয়ও বাড়ে: বেতন বা ব্যবসার আয় সাধারণত মূল্যস্ফীতির সঙ্গে কিছুটা বাড়ে — শুধু দামের দিকটা দেখে আতঙ্কিত হবেন না।
সুদ বনাম স্ফীতি: সঞ্চয়ের আসল লাভ = সুদের হার − মুদ্রাস্ফীতির হার। এটা ঋণাত্মক হলে টাকা ব্যাংকে রেখেও ক্রয়ক্ষমতা কমছে।
সাধারণ প্রশ্ন
মুদ্রাস্ফীতির হিসাবের সূত্র কী?
ভবিষ্যৎ দাম = আজকের দাম × (১ + হার)^বছর। যেমন ১,০০,০০০ টাকা, ৯.৫% হারে ৫ বছরে ১,০০,০০০ × (১.০৯৫)^৫ ≈ ১,৫৭,৪২৪ টাকা।