ওভারটাইম ও সার্ভিস বেনিফিট ক্যালকুলেটর

মূল বেতন ৳২০,০০০ হলে ঘণ্টাপ্রতি ওভারটাইম হার ≈ ৳১৯২.৩১, আর ২০ ঘণ্টায় পাবেন ≈ ৳৩,৮৪৬.১৫। নিচে নিজের বেতন, ভাতা ও ঘণ্টা দিয়ে দেখুন।

হিসাবের ধরন
৳
৳

ওভারটাইম মজুরি

৳৩,৮৪৬.১৫

ঘণ্টাপ্রতি হার
৳১৯২.৩১
মোট ঘণ্টা
২০
সাধারণ মাসিক (মূল+ভাতা)
৳২০,০০০

২০ ঘণ্টা ওভারটাইমে পাবেন ৳৩,৮৪৬.১৫।

যাচাই চলছে: শ্রম আইন ২০২৫/২৬-এ সংশোধন হয়েছে, প্রজ্ঞাপন আবার পড়া হয়নি। দ্বিগুণ হার, ২০৮-ভাজক ও সার্ভিস-হার (১৪/৩০ দিন) বদলে থাকতে পারে — এইচআর বা আইনজীবীর কাছে মিলিয়ে নিন।

সরল আনুমানিক হিসাব — বোনাস, ছুটির দিনের বিশেষ হার বা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা এখানে ধরা নেই।

কীভাবে হিসাব হলো
  1. সাধারণ মাসিক ৳২০,০০০ → ঘণ্টা হার = ২ × ৳২০,০০০ ÷ ২০৮ = ৳১৯২.৩১; মজুরি = ৳১৯২.৩১ × ২০ ঘণ্টা = ৳৩,৮৪৬.১৫।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. হিসাবের ধরন বেছে নিন — ওভারটাইম না সার্ভিস বেনিফিট।
  2. মাসিক মূল বেতন লিখুন; মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) থাকলে সেটাও দিন।
  3. ওভারটাইমের জন্য মোট ঘণ্টা, সার্ভিস বেনিফিটের জন্য চাকরির মেয়াদ (বছর) ও শেষের ধরন দিন।
  4. ঘণ্টাপ্রতি হার, মোট মজুরি বা বেনিফিট সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন।

সূত্র

  • সাধারণ মাসিক = মূল বেতন + মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)।
  • ঘণ্টাপ্রতি ওভারটাইম হার = ২ × সাধারণ মাসিক ÷ ২০৮ (২৬ দিন × ৮ ঘণ্টা)।
  • ওভারটাইম মজুরি = ঘণ্টাপ্রতি হার × ওভারটাইম ঘণ্টা।
  • দৈনিক মজুরি = সাধারণ মাসিক ÷ ৩০।
  • সার্ভিস বেনিফিট = দৈনিক মজুরি × সুবিধা-দিন; সুবিধা-দিন = প্রতি-বছরের হার × চাকরির বছর।
চাকরি শেষের ধরন প্রতি বছরে সুবিধা-দিন
ইস্তফা ১৪ দিন
ছাঁটাই / বরখাস্ত ৩০ দিন
অবসর ৩০ দিন
মৃত্যু ৩০ দিন

উদাহরণ

ডিফল্ট: মূল বেতন ৳২০,০০০, ডিএ ৳০, ওভারটাইম ২০ ঘণ্টা। ঘণ্টা হার = ২ × ২০,০০০ ÷ ২০৮ = ১৯২.৩০৭৭ ≈ ৳১৯২.৩১। মজুরি = ১৯২.৩০৭৭ × ২০ = ৳৩,৮৪৬.১৫।

ডিএ-সহ: মূল ৳২০,০০০ + ডিএ ৳৫,০০০, ১০ ঘণ্টা। ঘণ্টা হার = ২ × ২৫,০০০ ÷ ২০৮ = ২৪০.৩৮৪৬ ≈ ৳২৪০.৩৮। মজুরি = ২৪০.৩৮৪৬ × ১০ = ৳২,৪০৩.৮৫।

সার্ভিস বেনিফিট: মূল ৳৩০,০০০, ৭.৫ বছর, ইস্তফা। দৈনিক = ৩০,০০০ ÷ ৩০ = ৳১,০০০; সুবিধা-দিন = ১৪ × ৭.৫ = ১০৫ দিন। বেনিফিট = ১,০০০ × ১০৫ = ৳১,০৫,০০০।

বিস্তারিত: ভাজক, ভগ্নাংশ বছর ও সতর্কতা

২০৮-ভাজকের যুক্তি: মাসে গড়ে ২৬ কর্মদিবস, দিনে ৮ ঘণ্টা — তাই মাসিক মজুরিকে ২০৮ দিয়ে ভাগ করলে সাধারণ ঘণ্টা-হার পাওয়া যায়, ওভারটাইমে তার দ্বিগুণ। সাপ্তাহিক ছুটির দিন গণনা বা প্রতিষ্ঠানের শিফট-নীতি ভিন্ন হলে এইচআরের হিসাব কিছুটা আলাদা হতে পারে।

ভগ্নাংশ বছর নিয়ে সূক্ষ্মতা: শ্রম আইনের অনেক ব্যাখ্যায় পূর্ণ বছর পূর্ণ হলেই সুবিধা গোনা হয়; এই ক্যালকুলেটর সরলতার জন্য ভগ্নাংশকে আনুপাতিক হারে ধরেছে (৭.৫ বছর = ১৪ × ৭.৫)। এটি আনুমানিক হিসাব হিসেবে লেবেল করা — চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ও আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

সতর্কতা: শ্রম আইন ২০২৫/২৬-এ সংশোধন হয়েছে এবং প্রজ্ঞাপন আবার পড়া হয়নি। দ্বিগুণ হার, ২০৮-ভাজক ও ১৪/৩০ দিনের সার্ভিস-হার — সবই UNVERIFIED।

সাধারণ প্রশ্ন

২০৮ দিয়ে ভাগ কেন?

মাসিক বেতনকে ঘণ্টায় নিতে ২৬ কর্মদিবস × ৮ ঘণ্টা = ২০৮ দিয়ে ভাগ করা হয়। শ্রম আইনের প্রচলিত এই ভাজক এখনো যাচাই চলছে।

ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা কী?

মূল বেতনের ওপর দেওয়া ভাতা, যা সাধারণ মজুরির অংশ। ওভারটাইম ও সার্ভিস — দুই হিসাবেই মূল বেতনের সঙ্গে ডিএ যোগ হয়।

সার্ভিস বেনিফিট কে পায়?

চাকরি শেষ হলে — ইস্তফা, ছাঁটাই/বরখাস্ত, অবসর বা মৃত্যুতে — মেয়াদ অনুযায়ী এই আনুতোষিক-ধরনের পাওনা হয়। হার শেষের ধরনভেদে আলাদা।

২০৮-ভাজকের উৎস কী?

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ওভারটাইম বিধান (দ্বিগুণ হারের মজুরি)। তবে আইনটি ২০২৫/২৬-এ সংশোধন হয়েছে, প্রজ্ঞাপন আবার পড়া হয়নি — তাই হারগুলো UNVERIFIED।

পূর্ণ বছর না ভগ্নাংশ বছর — কোনটা ধরা হয়?

এই ক্যালকুলেটর ভগ্নাংশ বছর আনুপাতিক হারে ধরে (যেমন ৭.৫ বছর = ১৪ × ৭.৫ দিন)। বাস্তবে অনেক প্রতিষ্ঠান পূর্ণ বছর গোনে, তাই এইচআরের কাছে নীতিমালা জেনে নিন।

ছুটির দিনে ওভারটাইম করলে কি আলাদা হার?

এই হিসাবে সব ঘণ্টায় একই দ্বিগুণ হার ধরা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের নীতিমালায় ছুটির দিনে বাড়তি সুবিধা থাকলে সেটা আলাদা করে যোগ করুন।

এই নামেও খোঁজেন

ওভারটাইম হিসাব · ওভারটাইম মজুরি হিসাব · সার্ভিস বেনিফিট হিসাব · overtime calculator bangla · overtime hisab