ক্যালেন্ডার থেকে জন্মতারিখ বাছুন, অথবা দিন/মাস/বছর লিখুন (বাংলা বা ইংরেজি সংখ্যায়)।
আজকের বয়স জানতে “আজ” রাখুন। চাকরির বিজ্ঞপ্তির মতো কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বয়স জানতে “নির্দিষ্ট তারিখে” বাছুন।
চাকরির বয়সসীমা মেলাতে “চাকরির বয়সসীমা যাচাই করুন” চাপুন এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স দিন।
বয়সের সঙ্গে মোট দিন, সপ্তাহ, মাস, জন্মের বার আর পরের জন্মদিন কত দিন পরে, সবই দেখতে পাবেন।
বয়স হিসাবের পদ্ধতি
বয়স = জন্মতারিখ থেকে পূর্ণ বছর + পূর্ণ মাস + বাকি দিন
জন্মতারিখ থেকে এক মাস করে এগোন, যতক্ষণ না নির্বাচিত তারিখ পেরিয়ে যায়।
মোট পূর্ণ মাসকে ১২ দিয়ে ভাগ করুন: ভাগফল বছর, ভাগশেষ মাস।
শেষ পূর্ণ মাসের তারিখ থেকে নির্বাচিত তারিখ পর্যন্ত দিন গুনুন।
প্রতিটি মাসের আসল দিনসংখ্যা (২৮, ২৯, ৩০ বা ৩১) আর অধিবর্ষ ধরে হিসাব করা হয়। তাই এক বছরকে ৩৬৫ দিন ধরে ভাগ করার চেয়ে এটি নির্ভুল।
উদাহরণ
উদাহরণ ১: আজকের বয়স
জন্ম ১৫ মে ১৯৯৫, তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৬।
১৫ মে ১৯৯৫ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ৩৭৬টি পূর্ণ মাস = ৩১ বছর ৪ মাস
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ১৭ দিন
বয়স: ৩১ বছর ৪ মাস ১৭ দিন (মোট ১১,৪৬৩ দিন, জন্মের বার সোমবার)
উদাহরণ ২: চাকরির বয়সসীমা (১৮–৩২ বছর)
জন্ম ২ অক্টোবর ১৯৯৪। বিজ্ঞপ্তির তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৬ হলে বয়স ঠিক ৩২ বছর, তাই সীমার মধ্যে। বিজ্ঞপ্তির তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৬ হলে বয়স ৩২ বছর ০ মাস ১ দিন, অর্থাৎ সর্বোচ্চ সীমা পেরিয়ে গেছে।
বাংলাদেশে যা জানা দরকার
সরকারি চাকরির বয়সসীমা: ২০২৪ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগে সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বিশেষ পদ ও কোটায় ভিন্ন সীমা থাকতে পারে।
কোন তারিখে বয়স ধরা হয়: সাধারণত বিজ্ঞপ্তিতে একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া থাকে (যেমন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ বা আবেদনের শেষ তারিখ)। সেই তারিখটিই “নির্দিষ্ট তারিখে” ঘরে দিন।
সনদের জন্মতারিখ: চাকরি ও ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণত এসএসসি সনদ বা জন্মনিবন্ধনের তারিখই গ্রহণযোগ্য। সেই তারিখ দিয়েই হিসাব করুন।
বিস্তারিত: হাতে হাতে বয়স হিসাব আর সাধারণ ভুল
হাতে হাতে হিসাব: নির্বাচিত তারিখের বছর, মাস, দিন থেকে জন্মতারিখের বছর, মাস, দিন বিয়োগ করুন। দিন বিয়োগ করতে গিয়ে কম পড়লে আগের মাসের দিনসংখ্যা ধার নিন, আর মাস কম পড়লে ১২ মাস ধার নিন। এভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঠিক ফল আসে, তবে মাসের শেষ তারিখে জন্ম হলে (যেমন ৩১ জানুয়ারি) সামান্য পার্থক্য হতে পারে। এই ক্যালকুলেটর পূর্ণ মাস গুনে সেই সমস্যা এড়ায়।
সাধারণ ভুল:
৩৬৫ দিন দিয়ে ভাগ করা: অধিবর্ষ বাদ পড়ে বলে কয়েক দিনের ভুল হয়।
সব মাসকে ৩০ দিন ধরা: মাস ও দিনের হিসাব ভুল আসে।
ভুল তারিখে বয়স ধরা: চাকরির ক্ষেত্রে আজকের তারিখ নয়, বিজ্ঞপ্তিতে বলা তারিখে বয়স দেখতে হয়।
সাধারণ প্রশ্ন
জন্ম তারিখ দিয়ে বয়স বের করার নিয়ম কী?
জন্মতারিখ থেকে পূর্ণ মাস গুনে যান যতক্ষণ না নির্বাচিত তারিখ পেরিয়ে যায়। সেই মাসসংখ্যাকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে বছর ও মাস পাবেন। শেষ পূর্ণ মাসের পর থেকে বাকি দিনগুলো গুনলে পাবেন দিন। এই ক্যালকুলেটর ঠিক এভাবেই, প্রতিটি মাসের আসল দিনসংখ্যা ধরে হিসাব করে।
চাকরির বিজ্ঞপ্তির তারিখে আমার বয়স কত ছিল, কীভাবে দেখব?
“নির্দিষ্ট তারিখে” বেছে বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তারিখটি দিন। ওই দিনে আপনার বয়স কত বছর, মাস, দিন ছিল তা দেখাবে। বয়সসীমা যাচাই চালু করলে জানবেন সীমার মধ্যে আছেন কি না।
সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা কত?
২০২৪ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর। পদ বা কোটাভেদে আলাদা হতে পারে, তাই বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া সীমাই চূড়ান্ত।
বয়স ৩২ বছর পূর্ণ হওয়ার দিন কি আবেদন করা যায়?
এই ক্যালকুলেটর ধরে নেয়, ঠিক ৩২ বছর পূর্ণ হওয়ার দিনেও আপনি সীমার মধ্যে আছেন, আর পরের দিন থেকে সীমা পেরিয়ে যায়। কোনো বিজ্ঞপ্তিতে অন্যভাবে বলা থাকলে সেটিই মানতে হবে।
আমার বয়স মোট কত দিন?
ক্যালকুলেটরের ফলাফলে “মোট দিন” অংশে জন্ম থেকে নির্বাচিত তারিখ পর্যন্ত মোট দিন দেখানো হয়। যেমন ১৫ মে ১৯৯৫ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ১১,৪৬৩ দিন।
২৯ ফেব্রুয়ারি জন্ম হলে জন্মদিন কবে ধরা হয়?
যে বছর ফেব্রুয়ারিতে ২৯ তারিখ নেই, সে বছর এই ক্যালকুলেটর ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জন্মদিন ধরে। অধিবর্ষে জন্মদিন ২৯ ফেব্রুয়ারিই থাকে।
পরের জন্মদিন কত দিন পর, কীভাবে জানব?
জন্মতারিখ দিলেই ফলাফলে পরের জন্মদিনের তারিখ, কত দিন বাকি আর সেদিন কত বছরে পা দেবেন, তা দেখানো হয়।
এই নামেও খোঁজেন
জন্ম তারিখ দিয়ে বয়স ক্যালকুলেটর · আমার বয়স কত বছর কত মাস কত দিন · চাকরির বয়স বের করার ক্যালকুলেটর · বয়স হিসাব করার নিয়ম · boyos calculator · age calculator bd