৳৫০ লাখের ফ্ল্যাটে নিজে ৩০% দিয়ে বাকিটা ১৩.৪৯% ভাড়ার হারে ২০ বছরে নিলে মাসিক কিস্তি প্রায় ৳৪২,২৩৩, পুরো মেয়াদে মোট ভাড়া প্রায় ৳৬৬,৩৫,৯০৪। নিচে আপনার অঙ্ক দিয়ে দেখুন।
৳
= ৫০ লাখ টাকা
%
= ৳১৫,০০,০০০। বাকিটা ব্যাংক কিনবে আর আপনি কিস্তিতে কিনে নেবেন।
%
উদাহরণ হার বসানো আছে — আপনার ব্যাংকের অফারের হার লিখে নিন।
বছর
= ২৪০ মাস / ২৪০টি কিস্তি
মাসিক কিস্তি (ভাড়া + মালিকানা)
৳৪২,২৩৩
২৪০টি কিস্তি
সম্পদের দাম
৳৫০,০০,০০০
আপনার অংশ (শুরুতে)
৳১৫,০০,০০০
ব্যাংকের অংশ
৳৩৫,০০,০০০
মোট ভাড়া
৳৬৬,৩৫,৯০৪
সব মিলিয়ে মোট খরচ
৳১,১৬,৩৫,৯০৪
৳৫০,০০,০০০ দামের সম্পদে নিজে ৳১৫,০০,০০০ দিয়ে বাকিটা ১৩.৪৯% ভাড়ার হারে ২০ বছর মেয়াদে নিলে মাসিক কিস্তি ৳৪২,২৩৩, পুরো মেয়াদে মোট ভাড়া ৳৬৬,৩৫,৯০৪।
এইচপিএসএমে ব্যাংক ও আপনি যৌথভাবে সম্পদ কেনেন; আপনি ব্যাংকের অংশের ভাড়া দেন আর কিস্তিতে সেই অংশ কিনে নেন। ব্যাংকভেদে নিয়ম, ফি ও বিমার খরচ আলাদা — চূড়ান্ত অঙ্ক ব্যাংক থেকে জেনে নিন।
উদাহরণ ভাড়ার হার একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত হার থেকে নেওয়া; যাচাই চলছে — আপনার ব্যাংকের হার লিখুন।
কীভাবে হিসাব হলো
দাম ৳৫০,০০,০০০: আপনার অংশ ৳১৫,০০,০০০, ব্যাংকের অংশ ৳৩৫,০০,০০০
মাসিক ভাড়ার হার = ১৩.৪৯% ÷ ১২ = ১.১২৪২%
সমান কিস্তি = ৳৪২,২৩৩ (২৪০ মাস), যা ব্যাংকের বাকি অংশ ও ভাড়া দুটোই শোধ করে
প্রথম মাসে ভাড়া ৳৩৯,৩৪৬, মালিকানা কেনা ৳২,৮৮৭; পরে ব্যাংকের অংশ কমায় ভাড়াও কমে
মোট ভাড়া ৳৬৬,৩৫,৯০৪; ডাউন পেমেন্টসহ মোট খরচ ৳১,১৬,৩৫,৯০৪
আপনি নিজে শুরুতে কত শতাংশ দেবেন (ডাউন পেমেন্ট) দিন।
ব্যাংকের দেওয়া ভাড়ার হার আর মেয়াদ বাছুন।
মাসিক কিস্তি, মোট ভাড়া আর বছরে বছরে মালিকানার ভাগ দেখুন; চাইলে সূচি CSV-তে নামিয়ে নিন।
কিস্তির হিসাব
ব্যাংকের অংশ = দাম − আপনার অংশ। মাসিক ভাড়ার হার r = বার্ষিক ভাড়ার হার ÷ ১২ ÷ ১০০, মোট কিস্তি n টি।
মাসিক কিস্তি = ব্যাংকের অংশ × r × (১+r)ⁿ ÷ [(১+r)ⁿ − ১]
প্রতি কিস্তির যে অংশ ব্যাংকের বাকি অংশের ভাড়া, বাকিটা দিয়ে আপনি মালিকানা কেনেন। শুরুতে ভাড়ার ভাগ বেশি থাকে, সময়ের সঙ্গে মালিকানা কেনার ভাগ বাড়ে।
উদাহরণ
ফ্ল্যাট: দাম ৳৫০,০০,০০০, নিজের অংশ ৩০% (৳১৫,০০,০০০), ব্যাংকের অংশ ৳৩৫,০০,০০০, ভাড়ার হার ১৩.৪৯%, মেয়াদ ২০ বছর।
মাসিক কিস্তি প্রায় ৳৪২,২৩৩
প্রথম মাসে ভাড়া ৳৩৯,৩৪৬, মালিকানা কেনা ৳২,৮৮৭
মোট ভাড়া প্রায় ৳৬৬,৩৫,৯০৪; ডাউন পেমেন্টসহ মোট খরচ প্রায় ৳১,১৬,৩৫,৯০৪
গাড়ি: দাম ৳২০,০০,০০০, নিজের অংশ ২০%, ১৩.৪৯%, ৫ বছর — মাসিক কিস্তি প্রায় ৳৩৬,৮০৮, মোট ভাড়া প্রায় ৳৬,০৮,৪৫১।
বাংলাদেশে যা জানা দরকার
হার ব্যাংকভেদে আলাদা: ওপরের ১৩.৪৯% একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত হার থেকে নেওয়া উদাহরণ; বড় ইসলামি ব্যাংকগুলোতে হার কম-বেশি হতে পারে।
অতিরিক্ত খরচ: প্রসেসিং ফি, মূল্যায়ন ফি, নিবন্ধন খরচ আর বিমা কিস্তির হিসাবে ধরা নেই।
মালিকানার কাগজ: মেয়াদকালে দলিলে ব্যাংকের অংশ থাকে; শেষ কিস্তির পর পুরো মালিকানা হস্তান্তর হয়।
বিস্তারিত: এইচপিএসএম, ইজারা আর মুরাবাহার পার্থক্য
এইচপিএসএম-এ আপনি শুরু থেকেই সম্পদের আংশিক মালিক, আর কিস্তিতে ব্যাংকের অংশ কিনে নেন। ইজারা-য় মেয়াদকালে পুরো মালিকানা ব্যাংকের; আপনি ভাড়া দেন, শেষে হস্তান্তর হয়। মুরাবাহা-য় ব্যাংক পণ্য কিনে লাভসহ নির্দিষ্ট দামে আপনার কাছে বিক্রি করে, দাম শুরুতেই স্থির। বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মতো দীর্ঘমেয়াদি সম্পদে এইচপিএসএম বেশি প্রচলিত।
সাধারণ প্রশ্ন
এইচপিএসএম কী?
হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিলক (এইচপিএসএম) মানে যৌথ মালিকানায় ভাড়া-ক্রয়। আপনি ও ব্যাংক মিলে সম্পদ কেনেন; ব্যাংকের অংশ আপনি ব্যবহার করেন বলে তার ভাড়া দেন, আর কিস্তিতে সেই অংশ কিনে নেন। শেষ কিস্তিতে পুরো মালিকানা আপনার।
কিস্তির হিসাব সাধারণ ব্যাংক লোনের মতো কেন দেখায়?
ভাড়া ধরা হয় ব্যাংকের বাকি থাকা অংশের ওপর, আর প্রতি কিস্তিতে সেই অংশ কমে — তাই সমান কিস্তির অঙ্ক রিডিউসিং ব্যালান্স ঋণের মতোই দাঁড়ায়। পার্থক্য চুক্তির কাঠামোয়: এখানে লেনদেন যৌথ মালিকানা ও ভাড়ার ওপর, সুদের ওপর নয়।
ডাউন পেমেন্ট কত দিতে হয়?
ব্যাংক ও সম্পদভেদে আলাদা; গৃহ বিনিয়োগে সাধারণত ৩০% বা তার বেশি নিজের অংশ চাওয়া হয়। ঠিক শর্ত আপনার ব্যাংক থেকে জেনে নিন।
আগেভাগে পুরো টাকা শোধ করা যায়?
অধিকাংশ ব্যাংকে যায়; তখন ব্যাংকের বাকি অংশের দাম দিয়ে মালিকানা নিয়ে নেন, ফলে বাকি সময়ের ভাড়া আর লাগে না। কোনো ফি আছে কি না চুক্তিতে দেখুন।
ভাড়ার হার কি পুরো মেয়াদে একই থাকে?
অনেক চুক্তিতে নির্দিষ্ট সময় পরপর ভাড়ার হার পুনর্নির্ধারণের সুযোগ থাকে। এই ক্যালকুলেটর পুরো মেয়াদে একই হার ধরে হিসাব করে।