অর্জিত ছুটির হিসাব

৩৩০ দিন কর্তব্যে সরকারি চাকরিতে ৩০ দিন অর্জিত ছুটি জমে; মূল বেতন ৳৩০,০০০ হলে আনুমানিক নগদায়ন ৳৩০,০০০।

চাকরির ধরন
দিন
৳

= ৩০ হাজার টাকা

অর্জিত ছুটি

৩০ দিন

চাকরির ধরন
সরকারি
মোট দিন
৩৩০ দিন
নিয়ম
প্রতি ১১ কর্তব্য দিনে ১ দিন
জমা ছুটি
৩০ দিন
আনুমানিক নগদায়ন
৳৩০,০০০

মোট ৩৩০ দিনে অর্জিত ছুটি ৩০ দিন; আনুমানিক নগদায়ন ৳৩০,০০০।

যাচাই চলছে: ১/১১ ও ১/১৮ হার এবং সর্বোচ্চ ১৮ মাসের নগদায়ন সীমা সর্বশেষ গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

অর্ধ-বেতনের ছুটি আলাদা জমে; অবসর বা পিআরএলে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের অর্জিত ছুটি নগদায়ন করা যায়। নগদায়ন আনুমানিক — মাসিক মূল বেতনের ওপর।

কীভাবে হিসাব হলো
  1. অর্জিত ছুটি = ৩৩০ ÷ ১১ = ৩০ দিন
  2. নগদায়ন ≈ ৩০ ÷ ৩০ × ৳৩০,০০০ = ৳৩০,০০০

৪ অক্টোবর, ২০২৬

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. চাকরির ধরন বেছে নিন — সরকারি না শ্রম আইন/বেসরকারি।
  2. মোট কর্তব্য বা কাজের দিন লিখুন।
  3. মাসিক মূল বেতন দিলে আনুমানিক নগদায়ন দেখাবে (না দিলেও ছুটির হিসাব পাবেন)।

সূত্র

সরকারি: অর্জিত ছুটি = কর্তব্য দিন ÷ ১১

শ্রম আইন/বেসরকারি: অর্জিত ছুটি = কাজের দিন ÷ ১৮

নগদায়ন (আনুমানিক): জমা ছুটি ÷ ৩০ × মাসিক মূল বেতন

উদাহরণ

সরকারি, ৩৩০ কর্তব্য দিন, মূল বেতন ৳৩০,০০০: ৩৩০ ÷ ১১ = ৩০ দিন; নগদায়ন ≈ ৩০ ÷ ৩০ × ৳৩০,০০০ = ৳৩০,০০০।

বেসরকারি, ৫৪০ কাজের দিন, মূল বেতন ৳৩০,০০০: ৫৪০ ÷ ১৮ = ৩০ দিন; নগদায়ন ≈ ৳৩০,০০০।

সরকারি, ১০০ কর্তব্য দিন: ১০০ ÷ ১১ ≈ ৯.০৯ দিন।

বিষয় সরকারি শ্রম আইন (বেসরকারি)
হার প্রতি ১১ দিনে ১ দিন প্রতি ১৮ দিনে ১ দিন
দিনের ভিত্তি কর্তব্য দিন কাজের দিন
৩৬০ দিনে জমা ≈ ৩২.৭৩ দিন ২০ দিন
নগদায়ন সীমা সর্বোচ্চ ১৮ মাস (যাচাই চলছে) প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
বিস্তারিত: অর্ধ-বেতন, নগদায়ন ও পিআরএল

পূর্ণ-বেতনের অর্জিত ছুটির পাশাপাশি অর্ধ-বেতনেও ছুটি জমতে থাকে — অসুস্থতা বা বিশেষ প্রয়োজনে সেটি কাজে লাগে। চাকরি শেষে জমে থাকা ছুটি দুইভাবে কাজে লাগে: অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল, আগে যাকে এলপিআর বলা হতো) হিসেবে ভোগ করা, অথবা নগদায়ন করে এককালীন টাকা নেওয়া। প্রচলিত নিয়মে নগদায়নের ঊর্ধ্বসীমা ১৮ মাসের ছুটি, তবে এই অঙ্ক যাচাই চলছে — সর্বশেষ গেজেট বা অফিস আদেশই চূড়ান্ত। মাসিক মূল বেতন বাড়লে নগদায়নের অঙ্কও বাড়ে, তাই বেতন স্কেল বদলালে নতুন মূল বেতনে আবার হিসাব করে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

১/১১ আর ১/১৮-এর তফাত কী?

সরকারি চাকরিতে প্রতি ১১ দিন কর্তব্যে ১ দিন অর্জিত ছুটি জমে; আর শ্রম আইনে (ধারা ১১৭) প্রতি ১৮ দিন কাজে ১ দিন ছুটি পাওয়া যায়। ক্যালকুলেটরে ধরন বেছে নিলেই সঠিক হারে হিসাব হবে।

অর্ধ-বেতনের ছুটি কী?

পূর্ণ-বেতনের অর্জিত ছুটির পাশাপাশি অর্ধ-বেতনেও ছুটি জমে, যা পরে পূর্ণ-বেতনে রূপান্তর বা চিকিৎসা ছুটি হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম আছে। এই ক্যালকুলেটর শুধু পূর্ণ-বেতনের অর্জিত ছুটি হিসাব করে।

নগদায়নের সর্বোচ্চ সীমা কত?

অবসর বা পিআরএলের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের অর্জিত ছুটি নগদায়ন (এনক্যাশমেন্ট) করা যায় বলে প্রচলিত আছে। এই সীমা যাচাই চলছে — অফিস আদেশ বা সর্বশেষ গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

পিআরএল/এলপিআরের সঙ্গে এই হিসাবের সম্পর্ক কী?

অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল, আগে এলপিআর) মূলত জমা অর্জিত ছুটি থেকেই নেওয়া হয়, আর বাকি ছুটি নগদায়ন হয়। ছুটির মেয়াদে কত কর্মদিবস পড়ছে দেখতে [কর্মদিবস গণনা](/working-days/) বা [তারিখের পার্থক্য](/date-difference/) ব্যবহার করুন।

মূল বেতন না দিলে কী হবে?

জমা ছুটির দিন ঠিকই দেখাবে; শুধু নগদায়নের টাকার ঘরে ‘মূল বেতন দিলে দেখাবে’ লেখা থাকবে। নগদায়ন সব সময় আনুমানিক — মাসিক মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে।

এই হিসাব কি চূড়ান্ত?

না — এটি আনুমানিক হিসাব। ১/১১ ও ১/১৮ হার এবং ১৮ মাসের সীমা যাচাই চলছে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আপনার অফিসের চাকরিবিধি, শ্রম আইন বা সর্বশেষ গেজেট দেখে নিন।

এই নামেও খোঁজেন

অর্জিত ছুটি হিসাব · earn leave calculation bangladesh · ছুটি নগদায়ন হিসাব · orjito chuti calculator