গ্র্যাচুইটি হিসাব: চাকরি শেষে এককালীন কত পাবেন

মাসিক বেসিক ৳৩০,০০০ আর চাকরির মেয়াদ ৭.৫ বছর হলে পূর্ণ ৭ বছরের হিসাবে আনুমানিক গ্র্যাচুইটি ৳২,১০,০০০। নিচে নিজের বেসিক আর মেয়াদ দিয়ে দেখুন।

৳

= ৩০ হাজার টাকা

ভগ্নাংশ চলবে, যেমন ৭.৫

আনুমানিক গ্র্যাচুইটি

৳২,১০,০০০

৭ পূর্ণ বছর — ৫ বছরের শর্ত পূরণ হয়েছে

মাসিক বেসিক
৳৩০,০০০
চাকরির মেয়াদ
৭.৫ বছর
পূর্ণ বছর
৭ বছর
হার
প্রতি পূর্ণ বছরে ৩০ দিনের মজুরি
গ্র্যাচুইটি
৳২,১০,০০০

৭ পূর্ণ বছরের চাকরিতে আনুমানিক গ্র্যাচুইটি ৳২,১০,০০০।

যাচাই চলছে: ৫ বছর ও প্রতি বছরে ৩০ দিনের হিসাব প্রচলিত ধারণা; শ্রম আইনের সর্বশেষ গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। নিয়োগকর্তার নীতিমালা ভিন্ন হতে পারে।

এটি একটি আনুমানিক হিসাব — চূড়ান্ত পাওনা এইচআর বা নিয়োগপত্রের শর্ত অনুযায়ী হবে।

কীভাবে হিসাব হলো
  1. দৈনিক মজুরি = ৳৩০,০০০ ÷ ৩০
  2. গ্র্যাচুইটি = ৳৩০,০০০ × ৭ পূর্ণ বছর = ৳২,১০,০০০

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. মাসিক মূল বেতন (বেসিক) লিখুন — ভাতা ছাড়া শুধু বেসিক।
  2. চাকরির মেয়াদ বছরে দিন — ভগ্নাংশ চলবে, যেমন ৭.৫।
  3. ৫ বছর পূর্ণ হলে পূর্ণ বছর × বেসিক হারে গ্র্যাচুইটি দেখবেন।
  4. ৫ বছর না হলে ফল ৳০ আসবে — কতদিন বাকি তা সাব-লাইনে দেখাবে।
  5. শেয়ার লিংক দিয়ে একই হিসাব পরে আবার খুলতে পারবেন।

কীভাবে হিসাব হয়

  1. পূর্ণ বছর = চাকরির মেয়াদের পূর্ণ অংশ (৭.৫ → ৭)।
  2. যোগ্যতা = মেয়াদ কমপক্ষে ৫ বছর হলে।
  3. দৈনিক মজুরি = মাসিক বেসিক ÷ ৩০।
  4. গ্র্যাচুইটি = দৈনিক মজুরি × ৩০ × পূর্ণ বছর = বেসিক × পূর্ণ বছর। যোগ্য না হলে ৳০।

উদাহরণ

মাসিক বেসিক ৳৩০,০০০, চাকরির মেয়াদ ৭.৫ বছর:

  • পূর্ণ বছর ৭; ৫ বছরের শর্ত পূরণ হয়েছে।
  • দৈনিক মজুরি ৳৩০,০০০ ÷ ৩০ = ৳১,০০০।
  • গ্র্যাচুইটি = ৳১,০০০ × ৩০ × ৭ = ৳৩০,০০০ × ৭ = ৳২,১০,০০০।

বেসিক ৳৫০,০০০, মেয়াদ ঠিক ৫ বছর হলে: ৳৫০,০০০ × ৫ = ৳২,৫০,০০০। বেসিক ৳৪০,০০০, মেয়াদ ৪.৫ বছর হলে শর্ত না মেটায় ৳০।

যোগ্যতার তালিকা (বেসিক ৳৩০,০০০ ধরে)

চাকরির মেয়াদ পূর্ণ বছর গ্র্যাচুইটি
৩ বছর ৩ ৳০ (শর্ত পূরণ হয়নি)
৪.৯৯ বছর ৪ ৳০ (শর্ত পূরণ হয়নি)
৫ বছর ৫ ৳১,৫০,০০০
৭.৫ বছর ৭ ৳২,১০,০০০
১০ বছর ১০ ৳৩,০০,০০০
বিস্তারিত: কেন এটি আনুমানিক হিসাব

৫ বছর ও প্রতি বছরে ৩০ দিনের হিসাব প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী দেওয়া — শ্রম আইনের ধারাগুলো সর্বশেষ গেজেটের সঙ্গে আবার মিলিয়ে দেখা হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব গ্র্যাচুইটি নীতিমালা, গ্রেড-ভিত্তিক শর্ত বা আলাদা গণনাপদ্ধতি থাকে। তাই চূড়ান্ত পাওনার জন্য নিয়োগপত্র ও এইচআরের হিসাবই ভরসা — এই পেজে আগে থেকে ধারণা নিন। করের দিকটা দেখতে আয়কর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

সাধারণ প্রশ্ন

৫ বছর পূর্ণ না হলে কি গ্র্যাচুইটি পাবো না?

প্রচলিত নিয়মে কমপক্ষে ৫ বছর পূর্ণ চাকরি হলে গ্র্যাচুইটি মেলে — তাই এই ক্যালকুলেটর ৫ বছরের কমে ৳০ দেখায়। তবে নিয়োগকর্তার নিজস্ব নীতিমালা ভিন্ন হতে পারে, তাই এইচআরের কাছে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩০ দিনের হিসাবটা কী?

প্রতি পূর্ণ বছরের চাকরির জন্য ৩০ দিনের মজুরি — অর্থাৎ এক মাসের বেসিক। তাই ৭ পূর্ণ বছরে বেসিকের ৭ গুণ। এই হিসাব প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী; শ্রম আইনের সর্বশেষ গেজেট যাচাই করে নিন।

৭.৫ বছরে কি সাড়ে ৭ বছরের টাকা পাবো?

না — পূর্ণ বছর ধরা হয়। ৭.৫ বছরে ৭ বছরের, ৪.৯৯ বছরে ৪ বছরের (কিন্তু ৫ বছরের শর্ত না মেটায় ৳০) হিসাব হয়।

গ্র্যাচুইটির ওপর কি আয়কর দিতে হয়?

কর ছাড়ের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এই পেজে বলা হচ্ছে না — আয়কর ক্যালকুলেটরে নিজের মোট আয় দিয়ে দেখুন এবং এনবিআরের নির্দেশনা বা কর উপদেষ্টার কাছে যাচাই করুন।

প্রভিডেন্ট ফান্ড আর গ্র্যাচুইটির পার্থক্য কী?

প্রভিডেন্ট ফান্ডে আপনি ও নিয়োগকর্তা দুজনেই মাসে মাসে জমা দেন, আর সুদসহ জমা টাকা আপনার। গ্র্যাচুইটি নিয়োগকর্তার দেওয়া এককালীন আনুতোষিক — চাকরি শেষে শর্ত পূরণ হলে পাবেন, মাসে কাটা হয় না।

এই হিসাব কি চূড়ান্ত পাওনার সমান হবে?

এটি আনুমানিক হিসাব। চূড়ান্ত পাওনা নিয়োগপত্র, কোম্পানির নীতিমালা ও শ্রম আইনের প্রযোজ্য ধারা অনুযায়ী হবে — বড় অঙ্ক হলে এইচআরের হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই নামেও খোঁজেন

গ্র্যাচুইটি হিসাব · গ্র্যাচুইটি কত পাবো · চাকরির গ্র্যাচুইটি ক্যালকুলেটর · gratuity calculator bangladesh · gratuity hisab bangla