মাসিক মূল বেতন (বেসিক) লিখুন — ভাতা ছাড়া শুধু বেসিক।
চাকরির মেয়াদ বছরে দিন — ভগ্নাংশ চলবে, যেমন ৭.৫।
৫ বছর পূর্ণ হলে পূর্ণ বছর × বেসিক হারে গ্র্যাচুইটি দেখবেন।
৫ বছর না হলে ফল ৳০ আসবে — কতদিন বাকি তা সাব-লাইনে দেখাবে।
শেয়ার লিংক দিয়ে একই হিসাব পরে আবার খুলতে পারবেন।
কীভাবে হিসাব হয়
পূর্ণ বছর = চাকরির মেয়াদের পূর্ণ অংশ (৭.৫ → ৭)।
যোগ্যতা = মেয়াদ কমপক্ষে ৫ বছর হলে।
দৈনিক মজুরি = মাসিক বেসিক ÷ ৩০।
গ্র্যাচুইটি = দৈনিক মজুরি × ৩০ × পূর্ণ বছর = বেসিক × পূর্ণ বছর। যোগ্য না হলে ৳০।
উদাহরণ
মাসিক বেসিক ৳৩০,০০০, চাকরির মেয়াদ ৭.৫ বছর:
পূর্ণ বছর ৭; ৫ বছরের শর্ত পূরণ হয়েছে।
দৈনিক মজুরি ৳৩০,০০০ ÷ ৩০ = ৳১,০০০।
গ্র্যাচুইটি = ৳১,০০০ × ৩০ × ৭ = ৳৩০,০০০ × ৭ = ৳২,১০,০০০।
বেসিক ৳৫০,০০০, মেয়াদ ঠিক ৫ বছর হলে: ৳৫০,০০০ × ৫ = ৳২,৫০,০০০। বেসিক ৳৪০,০০০, মেয়াদ ৪.৫ বছর হলে শর্ত না মেটায় ৳০।
যোগ্যতার তালিকা (বেসিক ৳৩০,০০০ ধরে)
চাকরির মেয়াদ
পূর্ণ বছর
গ্র্যাচুইটি
৩ বছর
৩
৳০ (শর্ত পূরণ হয়নি)
৪.৯৯ বছর
৪
৳০ (শর্ত পূরণ হয়নি)
৫ বছর
৫
৳১,৫০,০০০
৭.৫ বছর
৭
৳২,১০,০০০
১০ বছর
১০
৳৩,০০,০০০
বিস্তারিত: কেন এটি আনুমানিক হিসাব
৫ বছর ও প্রতি বছরে ৩০ দিনের হিসাব প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী দেওয়া — শ্রম আইনের ধারাগুলো সর্বশেষ গেজেটের সঙ্গে আবার মিলিয়ে দেখা হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব গ্র্যাচুইটি নীতিমালা, গ্রেড-ভিত্তিক শর্ত বা আলাদা গণনাপদ্ধতি থাকে। তাই চূড়ান্ত পাওনার জন্য নিয়োগপত্র ও এইচআরের হিসাবই ভরসা — এই পেজে আগে থেকে ধারণা নিন। করের দিকটা দেখতে আয়কর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
সাধারণ প্রশ্ন
৫ বছর পূর্ণ না হলে কি গ্র্যাচুইটি পাবো না?
প্রচলিত নিয়মে কমপক্ষে ৫ বছর পূর্ণ চাকরি হলে গ্র্যাচুইটি মেলে — তাই এই ক্যালকুলেটর ৫ বছরের কমে ৳০ দেখায়। তবে নিয়োগকর্তার নিজস্ব নীতিমালা ভিন্ন হতে পারে, তাই এইচআরের কাছে নিশ্চিত হয়ে নিন।
৩০ দিনের হিসাবটা কী?
প্রতি পূর্ণ বছরের চাকরির জন্য ৩০ দিনের মজুরি — অর্থাৎ এক মাসের বেসিক। তাই ৭ পূর্ণ বছরে বেসিকের ৭ গুণ। এই হিসাব প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী; শ্রম আইনের সর্বশেষ গেজেট যাচাই করে নিন।
৭.৫ বছরে কি সাড়ে ৭ বছরের টাকা পাবো?
না — পূর্ণ বছর ধরা হয়। ৭.৫ বছরে ৭ বছরের, ৪.৯৯ বছরে ৪ বছরের (কিন্তু ৫ বছরের শর্ত না মেটায় ৳০) হিসাব হয়।
গ্র্যাচুইটির ওপর কি আয়কর দিতে হয়?
কর ছাড়ের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এই পেজে বলা হচ্ছে না — আয়কর ক্যালকুলেটরে নিজের মোট আয় দিয়ে দেখুন এবং এনবিআরের নির্দেশনা বা কর উপদেষ্টার কাছে যাচাই করুন।
প্রভিডেন্ট ফান্ড আর গ্র্যাচুইটির পার্থক্য কী?
প্রভিডেন্ট ফান্ডে আপনি ও নিয়োগকর্তা দুজনেই মাসে মাসে জমা দেন, আর সুদসহ জমা টাকা আপনার। গ্র্যাচুইটি নিয়োগকর্তার দেওয়া এককালীন আনুতোষিক — চাকরি শেষে শর্ত পূরণ হলে পাবেন, মাসে কাটা হয় না।
এই হিসাব কি চূড়ান্ত পাওনার সমান হবে?
এটি আনুমানিক হিসাব। চূড়ান্ত পাওনা নিয়োগপত্র, কোম্পানির নীতিমালা ও শ্রম আইনের প্রযোজ্য ধারা অনুযায়ী হবে — বড় অঙ্ক হলে এইচআরের হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।