৬০,০০০ টাকা মাসিক আয়ে ৪০% ডিবিআর ধরলে সাধ্যের কিস্তি ২৪,০০০ টাকা; ১১% সুদে ২০ বছরের জন্য সর্বোচ্চ ঋণ প্রায় ৳২৩,২৫,১৫৭। নিচে নিজের আয়, কিস্তি, হার আর মেয়াদ দিয়ে হিসাব দেখুন।
৳
= ৬০ হাজার টাকা
৳
অন্য সব ঋণের মোট মাসিক কিস্তি। না থাকলে ০।
%
বছর
= ২৪০ মাস / ২৪০টি কিস্তি
ঋণভার অনুপাত (ডিবিআর)
ব্যাংক সাধারণত আয়ের ৪০–৫০%-এর বেশি কিস্তি ধরতে দেয় না।
সর্বোচ্চ ঋণ
৳২৩,২৫,১৫৭
২০ বছর
মাসিক আয়
৳৬০,০০০
সাধ্যের কিস্তি
৳২৪,০০০
সুদের হার
১১%
মেয়াদ
২০ বছর
সর্বোচ্চ ঋণ
৳২৩,২৫,১৫৭
মোট সুদ
৳৩৪,৩৪,৮৪৩
৳৬০,০০০ মাসিক আয়ে সাধ্যের কিস্তি ৳২৪,০০০; ২০ বছর মেয়াদে সর্বোচ্চ ঋণ ৳২৩,২৫,১৫৭।
ডিবিআরের সীমা ব্যাংকভেদে আলাদা — কোনো ব্যাংক ৪০%, কোনোটি ৫০% ধরে। চূড়ান্ত যোগ্যতা ব্যাংক যাচাই করে।
মোট পরিশোধ = ২৪,০০০ × ২৪০ = ৳৫৭,৬০,০০০; মোট সুদ ≈ ৳৩৪,৩৪,৮৪৩।
যা খেয়াল রাখবেন
ডিবিআর ব্যাংকভেদে আলাদা: কোনো ব্যাংক আয়ের ৪০%, কোনোটি ৫০% পর্যন্ত কিস্তি ধরতে দেয়। বেতনভোগী আর ব্যবসায়ীর নিয়মও আলাদা হতে পারে — ঋণের আগে ব্যাংক থেকে জেনে নিন।
সুদের হার বাজারভিত্তিক: ব্যাংক ও ঋণের ধরনভেদে হার আলাদা। একাধিক ব্যাংকের অফার মিলিয়ে নিন।
ডাউন পেমেন্ট: ফ্ল্যাট বা জমির দামের পুরোটা ঋণ মেলে না; সাধারণত ২০–৩০% নিজের টাকা দিতে হয়। যোগ্যতা থাকলেও সেই টাকা হাতে রাখুন।
অতিরিক্ত খরচ: প্রসেসিং ফি, ডকুমেন্টেশন, বিমা ও রেজিস্ট্রেশন খরচ কিস্তির হিসাবে ধরা থাকে না।
বিস্তারিত: যোগ্যতা বাড়ানোর উপায়
চলতি ছোট ঋণ শোধ করে ফেললে সাধ্যের কিস্তি বাড়ে। যৌথ আবেদনে (স্বামী-স্ত্রী) দুজনের আয় ধরা হয়। আর মেয়াদ বাড়ালে একই কিস্তিতে বেশি ঋণ মেলে — তবে মোট সুদ অনেক বাড়ে, তাই সামর্থ্যের মধ্যে ছোট মেয়াদই লাভজনক।
সাধারণ প্রশ্ন
ডিবিআর (DBR) কী?
ডেট-বার্ডেন রেশিও: আয়ের কত শতাংশ পর্যন্ত কিস্তিতে যেতে পারে। সাধ্যের কিস্তি = মাসিক আয় × ডিবিআর − চলতি কিস্তি। ব্যাংক সাধারণত ৪০–৫০% ধরে।
৬০,০০০ টাকা বেতনে কত টাকা হোম লোন পাব?
৪০% ডিবিআরে সাধ্যের কিস্তি ২৪,০০০ টাকা। ১১% সুদে ২০ বছরে সর্বোচ্চ ঋণ প্রায় ৳২৩,২৫,১৫৭, মোট সুদ প্রায় ৳৩৪,৩৪,৮৪৩। হার বা মেয়াদ বদলালে অঙ্ক বদলাবে — ওপরে বসিয়ে দেখুন।
চলতি কিস্তি থাকলে যোগ্যতা কত কমে?
চলতি কিস্তি সাধ্যের কিস্তি থেকে সরাসরি বাদ যায়। যেমন ৬০,০০০ আয়ে ১০,০০০ টাকা কিস্তি থাকলে সাধ্যের কিস্তি দাঁড়ায় ২৪,০০০ − ১০,০০০ = ১৪,০০০ টাকা, ফলে সর্বোচ্চ ঋণও প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে।
মেয়াদ বাড়ালে কি বেশি লোন পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, একই কিস্তিতে মেয়াদ বাড়লে বেশি ঋণ পাওয়া যায়, কিন্তু মোট সুদ অনেক বাড়ে। ২৪,০০০ টাকা কিস্তিতে ১১% সুদে ১৫ বছরে ঋণ প্রায় ৳২০,৬২,০০০, ২০ বছরে ৳২৩,২৫,০০০ — ৫ বছর বাড়িয়ে ঋণ বাড়ে মাত্র ১৩%, কিন্তু সুদ বাড়ে অনেক বেশি।
এই হিসাব কি ব্যাংকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত?
না। এটি ধারণামূলক হিসাব। ব্যাংক আয়ের প্রমাণ, চাকরির স্থায়িত্ব, ক্রেডিট রিপোর্ট, জমির কাগজ ও নিজস্ব ডিবিআর নীতি দেখে চূড়ান্ত যোগ্যতা ঠিক করে।